প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- এই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস রীতিমতো মরিয়া হয়ে উঠেছে অবৈধ ভোটারদের ভোটার তালিকায় রেখে দেওয়ার জন্য আর সেই কারণে তারা নিজেদের প্রশাসনকে দিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কৌশল রক্ত করেছে কিন্তু রাজ্য সময়মতো নির্দিষ্ট কর্মচারী না দেওয়ার কারণে মাইক্রো অবজারভার নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশনার তা নিয়েই আদালতে আপত্তি জানিয়েছে রাজ্য। আর সেই ব্যাপারেই আজ সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে রাজ্যকে একেবারে সময়সীমা বেঁধে দিয়ে কর্মচারী দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, এইআরও এবং ইআরওদেরও যে যথেষ্ট ক্ষমতা রয়েছে, সেই বিষয়টিও উল্লেখ করেছে শীর্ষ আদালত। যা নিয়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে প্রচার করে বলা হচ্ছে যে, এটা নাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশাল জয়। কিন্তু এখানেই সেই ইআরওদের পাল্টা সতর্ক করে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

ইতিমধ্যেই আজ সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর মামলার শুনানিতে বেশ কিছু পর্যবেক্ষণ সামনে এসেছে। যেখানে মাইক্রো অবজারভারদের বিষয়টি নিয়ে রাজ্য যে সমস্ত বিষয় তুলে ধরেছিল, তার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যকেই রীতিমত সময়সীমা বেঁধে দিয়ে কর্মচারী দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এক্ষেত্রে তৃণমূলের পক্ষ থেকে যে বিষয়টি সব থেকে বেশি প্রচার করা হচ্ছে যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদনকেই আজ আদালত প্রাধান্য দিয়েছে। কেননা আদালতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, নামের সংযোজন এবং বিয়োজনের ক্ষেত্রে ইআরওরাই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। আর এই বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল যতই লাফালাফি করার চেষ্টা করুক না কেন, এবার সেই সমস্ত ইআরওর দায়িত্ব যারা সামলাচ্ছেন, তারা যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের কথামত কাজ করে অবৈধ ভোটারদের ভোটার তালিকায় রেখে দেন, তাহলে তাদের কপালে যে বড় দুঃখ অপেক্ষা করছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর সেই বিষয়টিই স্মরণ করিয়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই তিনি বলেন, “আমাদের আরপি অ্যাক্ট অনুযায়ী, নাম তোলা বা খারিজ করার পুরোপুরি ক্ষমতা ইআরওদের হাতে। মাইক্রো অবজারভাররা যেমন নজরদারির কাজ করছেন, ঠিক তেমনই যেখানে সন্দেহজনক আছে, যার নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন আছে, এইরকম ভোটারদের যদি ভোটার তালিকায় রেখে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, নন্দিনী চক্রবর্তীর কথায় এবং আইপ্যাকের বুদ্ধিতে, তাহলে ইআরওদের কপালেও কিন্তু ভবিষ্যতে দুঃখ রয়েছে।”