প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-রাজ্যে বেকার যুবকদের জন্য এবার সবচেয়ে বড় ঐতিহাসিক মুহূর্ত আসতে চলেছে! আর “কথায় নয়, কাজে বিশ্বাস” করে সেই অসম্ভবকে সম্ভব করতে কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়েছে বর্তমান সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কড়া ও স্পষ্ট নির্দেশের পর, রাজ্যের প্রশাসনিক অলিন্দে এখন রীতিমতো যুদ্ধকালীন তৎপরতা। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা সরকারি শূন্যপদগুলি এবার এক ঝটকায় পূরণ হতে চলেছে। আর এই মেগা-নিয়োগের ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করতে খোদ অর্থ দফতর যে চরম পদক্ষেপ নিয়েছে, তা দেখে রাজনৈতিক মহলের চোখ চড়কগাছ।
প্রশাসনিক সূত্রের খবর, রাজ্যের বহু সরকারি দফতরে বছরের পর বছর ধরে হাজার হাজার পদ শূন্য অবস্থায় পড়ে ধুলো জমছিল। পূর্বতন ব্যবস্থার সেই স্থবিরতা ঝেড়ে ফেলে প্রশাসনিক যন্ত্রকে বুলেট গতিতে ছোটানোই এখন লক্ষ্য। সেই কারণেই অর্থ দফতরের তরফ থেকে রাজ্যের সমস্ত অতিরিক্ত প্রধান সচিব, প্রধান সচিব এবং সচিবদের কাছে এক অত্যন্ত কড়া এবং নজিরবিহীন নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নির্দেশ পরিষ্কার— আগামী ৩ জুনের মধ্যে প্রতিটি বিভাগের খালি পদের সুনির্দিষ্ট ও নিখুঁত খতিয়ান (ভ্যাকেন্সি রিপোর্ট) টেবিল করতে হবে। এই ডেডলাইনের পর আর এক মুহূর্তও সময় নষ্ট করতে রাজি নয় প্রশাসন।
সরকারের এই মাস্টারস্ট্রোকের পর স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত গেরুয়া শিবির। এই মেগা আপডেট সামনে আসতেই রাজারহাট-গোপালপুরের বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল ‘এক্স’-এ (X) বিরোধী শিবিরকে তুলোধোনা করে একটি বিস্ফোরক পোস্ট করেছেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় লিখেছেন, “আমরা কথায় নয়, কাজে বিশ্বাস করি। বিজেপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে, সেই প্রতিশ্রুতি পূরণের দিকেই এগিয়ে চলেছে।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই একটি বক্তব্যই বুঝিয়ে দিচ্ছে যে যুবসমাজের কর্মসংস্থানের যে ঐতিহাসিক গ্যারান্টি বিজেপি দিয়েছিল, তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে অত্যন্ত সুকৌশলে ও মার্জিত ভাষায় স্পষ্ট করা হয়েছে যে, কাজের দক্ষতা বাড়ানো এবং সরকারি পরিষেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতেই এই সামগ্রিক পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত। কোনো রকম খামতি বা ঢিলেমি বরদাস্ত করা হবে না। ৩ জুনের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই তৈরি হবে রাজ্যের আগামী দিনের সবচেয়ে বড় কর্মসংস্থানের রূপরেখা। নবান্নের অলিন্দ থেকে জেলা স্তর— সর্বত্র এখন শুধু একটাই আলোচনা, এবার সত্যিই বড় কিছু হতে চলেছে।