প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-২০২৬-এর বাংলার মহাযুদ্ধে ফলাফলের পর আজ সবার নজর একটিই নামের দিকে—শুভেন্দু অধিকারী। ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রাম—একই সঙ্গে দুই কেন্দ্রে নজিরবিহীন জয় ছিনিয়ে এনে তিনি আজ বাংলার রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে। রাজনৈতিক মহলের বড় অংশের মতে, এই ঐতিহাসিক জয়ের কারিগর হিসেবে তাঁর নামই আজ বিজেপির পরিষদীয় দলের বৈঠকে প্রধান আলোচনার বিষয় হতে পারে।
তৃণমূল নেত্রীকে দুই শক্তিশালী কেন্দ্রেই পরাজিত করে শুভেন্দু অধিকারী নিজেকে একজন অবিসংবাদিত জননেতা হিসেবে প্রমাণ করেছেন। তাঁর এই সাফল্যকে বিজেপির সাধারণ কর্মী-সমর্থকরা ‘অশুভ শক্তির পরাজয়’ এবং ‘গণতন্ত্রের জয়’ হিসেবে দেখছেন। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে চায়ের দোকান—সবত্রই আজ একটিই প্রশ্ন: বাংলার মানুষের এই পছন্দের প্রতিফলন কি আজ পরিষদীয় দলের সিদ্ধান্তে দেখা যাবে?
বিজেপি একটি সুশৃঙ্খল দল, যেখানে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এবং নবনির্বাচিত বিধায়কদের মতামতের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আজ বিকেল ৪ টেয় অমিত শাহের উপস্থিতিতে যে বৈঠক হতে চলেছে, সেখানে শুভেন্দু অধিকারীর নাম প্রস্তাবিত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। তবে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব সব সময় যোগ্যতার পাশাপাশি অভিজ্ঞতার ওপর জোর দেয়, তাই চূড়ান্ত ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন রাজ্যবাসী।
শুভেন্দু অধিকারীর অনুগামীদের দাবি, তিনি মাটির কাছাকাছি থাকা মানুষ এবং প্রশাসনিক অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ। তাই বাংলার হৃতগৌরব ফেরাতে তাঁর মত বলিষ্ঠ নেতৃত্বই এই মুহূর্তে প্রয়োজন। বিজেপি শিবিরের অন্দরের খবর, বিকেলের বৈঠকের পরই দিল্লির হাইকম্যান্ডের তরফে সবুজ সংকেত আসতে পারে।