প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- বর্তমানে ভারতবর্ষের সবথেকে বড় ভোট স্ট্র্যাটেজির নাম অমিত শাহ। অন্তত বিজেপি নেতারা তেমনটাই দাবি করেন। অমিত শাহ একের পর এক রাজ্যে বিজেপি কত আসন পেতে পারে এবং কিভাবে ক্ষমতায় আসতে পারে, তার কৌশল প্রয়োগ করে বুঝিয়ে দিয়েছেন, তিনি যা বলেন, তা গালগল্পে ভরা নয়। সামনেই পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন। ঘনঘন এই বঙ্গ সফর করছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এমনকি বিজেপির রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তৎপরতাও বুঝিয়ে দিচ্ছে যে, এবার বাংলা সব থেকে বড় টার্গেট হয়ে দাঁড়িয়েছে গেরুয়া শিবিরের কাছে। যেভাবেই হোক, বাংলার জয় পাওয়াই এখন বিজেপির প্রধান লক্ষ্য। এমনকি বিজেপি নেতারা এটাও বলছেন যে, বাংলার ভৌগোলিক চিত্রকে পরিবর্তন করে দেওয়া হচ্ছে।। এখানে অনুপ্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে। তাই বিজেপিকে ক্ষমতায় না আনলে এই অনুপ্রবেশকারীদের জব্দ করা যাবে না। এক্ষেত্রে তৃণমূল প্রশাসনের জন্যই যে অনুপ্রবেশকারীদের এত রমরমা হয়ে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গে, সেই কথাও তুলে ধরেছেন রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় স্তরের বিজেপি নেতৃত্বরা। আর এবার পার্শ্ববর্তী রাজ্য বিহার থেকে বাংলায় ক্ষমতা যে দখল করছে বিজেপি, তা জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুধু তাই নয়, বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলেই প্রথমেই যে এই অনুপ্রবেশকারীদের জব্দ করা হবে, সেই কথাও বুঝিয়ে দিলেন তিনি।
২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে ক্রমাগত উত্তপ্ত হচ্ছে বঙ্গ রাজনীতি। ২১ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগেও বিজেপি পরিবর্তনের ঝড় তুলেছিল। কিন্তু তাদের সেই লক্ষ্য পূরণ হয়নি। তবে সেই সময় বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে অন্য কোনো রাজ্য বা অন্য কোনো কর্মসূচি থেকে বারবার বাংলার কথা তুলে ধরতে দেখা যেত না। কিন্তু এবার বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব বাংলা নিয়ে যে যথেষ্ট সিরিয়াস, তা অন্য যে কোনো কর্মসূচিতেই প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখ থেকে এই বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য উঠে আসায় বোঝাই যাচ্ছে যে, পশ্চিমবঙ্গে পদ্ম ফোটানোই এখন বিজেপির প্রধান লক্ষ্য। আর সেই কথা তুলে ধরেই গতকাল বিহারের একটি সভা থেকে বড় মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
সূত্রের খবর, গতকাল বিহারের আরারিয়া জেলায় একটি কর্মসূচিতে উপস্থিত হন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আর সেখানেই বাংলা নিয়ে তিনি বলেন, “বাংলাতেও ভোট আসছে। আমার বিশ্বাস, এবার বিজেপি সরকার গঠন করবে। আর সরকার গঠন হলেই আমাদের প্রথম অ্যাজেন্ডা হবে, এক এক করে সব অনুপ্রবেশকারীকে বেছে দেশের বাইরে বের করে দেওয়া। অনুপ্রবেশের জন্য বাংলার জলবিন্যাস বদলে গিয়েছে।”