প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-বাংলায় এক ঐতিহাসিক রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর এবার সব নজর রাজভবন এবং বিজেপির পরিষদীয় দলের বৈঠকের দিকে। বাংলার পরবর্তী ‘ক্যাপ্টেন’ কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনা এখন তুঙ্গে। আর এই মেগা-ডিসিশন নিতে আজ খোদ কলকাতায় পা রাখছেন বিজেপির প্রধান রণকৌশলী তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

বিজেপির কেন্দ্রীয় সংসদীয় বোর্ড অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বাংলার এই নির্বাচনকে দেখছে। সেই কারণেই অমিত শাহের সাথে সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে আসছেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি। আজ নবনির্বাচিত বিধায়কদের সাথে শাহ-মাঝির এই রুদ্ধদ্বার বৈঠকটি হতে চলেছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া মেনে বিধায়কদের মতামতের ভিত্তিতেই বেছে নেওয়া হবে বিজেপির পরিষদীয় দলনেতাকে।

রাজনৈতিক সূত্রের খবর, আজ নেতার নাম চূড়ান্ত হলেই রাজ্যপালের কাছে সরকার গঠনের দাবি জানাবে গেরুয়া শিবির। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ৯ মে, অর্থাৎ কবিগুরুর জন্মজয়ন্তীর পুণ্য লগ্নেই শহর কলকাতা সাক্ষী থাকতে পারে এক গ্র্যান্ড শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের। সূত্রের খবর, খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে কলকাতায় আসতে পারেন।

দলের অন্দরে এবং রাজনৈতিক অলিন্দে একাধিক নাম ঘোরাফেরা করছে। গত কয়েক বছরের লড়াকু মুখ হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম আলোচনায় যেমন রয়েছে, তেমনই শমীক ভট্টাচার্য বা অগ্নিমিত্রা পালের মত দীর্ঘদিনের একনিষ্ঠ সৈনিকদের নিয়েও জল্পনা কম নেই। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে আজকের বৈঠকের পরেই। বাংলায় এক নতুন ভোরের প্রতীক্ষায় এখন রাজ্য রাজনীতি। অমিত শাহের এই সফর এবং আজকের বৈঠক কি বাংলার দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটাবে? উত্তর পাওয়া এখন সময়ের অপেক্ষা।