প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকল তিলোত্তমা। সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে আজ পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজভবনের নির্দেশে এবং গণতান্ত্রিক ম্যান্ডেটকে পাথেয় করে আজ থেকে রাজ্যে শুরু হলো এক নতুন প্রশাসনিক অধ্যায়।
এদিন কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল আর.এন. রবি তাঁকে পদ ও গোপনীয়তার শপথবাক্য পাঠ করান। রাজ্যের মুখ্যসচিবের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী যখন মঞ্চে এসে দাঁড়ান, তখন উপস্থিত জনসমুদ্রের উল্লাস ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান কার্যত এক উৎসবে পরিণত হয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মেদিনীপুরের ঘরের ছেলের এই উত্থান বাংলার রাজনীতিতে এক বড়সড় মোড়। প্রায় সাড়ে পাঁচ দশক পর জঙ্গলমহল ও গ্রামবাংলার মাটি থেকে উঠে আসা কোনো জননেতা রাইটার্স বিল্ডিংয়ের (নবান্ন) চাবিকাঠি হাতে নিলেন। ২০২৬-এর নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জনসমর্থন পাওয়ার পর আজ সেই আস্থারই আনুষ্ঠানিক প্রতিফলন ঘটল।
আজকের এই ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণে সাক্ষী থাকতে দিল্লি থেকে উড়ে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এছাড়াও এনডিএ শাসিত বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান এক অনন্য মাত্রা পায়।
নতুন মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরে বাংলা আবার তার হারানো গৌরব ফিরে পাবে, কর্মসংস্থানের জোয়ার আসবে এবং রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন ঘটবে—এমনই প্রত্যাশা নিয়ে আজ এক নতুন ভোরে পা রাখল পশ্চিমবঙ্গ।