প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-বঙ্গে সদ্য লাগু হওয়া ‘গুন্ডাদমন আইন’ নিয়ে এবার চরম আক্রমণাত্মক মেজাজে অবতীর্ণ হলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার বিধানসভা চত্বরে দাঁড়িয়ে বিগত প্রায় পাঁচ দশকের শাসনকালকে নজিরবিহীন ভাষায় তোপ দেগেছেন তিনি। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে এই মুহূর্তে তোলপাড় রাজ্যের রাজনৈতিক মহল।

আজ বিধানসভায় বিজেপির তিন রাজ্যসভা প্রার্থীর মনোনয়ন পেশের কর্মসূচি ছিল। সেই হাইভোল্টেজ আবহেই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিস্ফোরক দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। ঠিক কাদের নিশানা করলেন তিনি? শুভেন্দুর কথায়, “১৫ বছর গুন্ডাদের সরকার ছিল। তার আগে হার্মাদদের সরকার ছিল। ৩৪ বছরের কমিউনিস্ট হার্মাদ ও ১৫ বছরের তৃণমূলী গুন্ডা।” তাঁর স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, এই দীর্ঘ সময় ধরে রাজ্যে যে দুষ্কৃতীরাজ চলেছে, তাদের চিরতরে জব্দ করতেই এই নতুন কড়া আইনের অবতারণা।

মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানান, এটি কোনো আকস্মিক সিদ্ধান্ত নয়। দলের সুনির্দিষ্ট নির্দেশ মেনেই বিধানসভায় এই কঠোর আইন পাশ করানো হয়েছে এবং বর্তমানে তা রাজ্যে পুরোপুরি কার্যকর করা হয়েছে।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মন্তব্যের মাধ্যমে শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট করে দিলেন যে, নতুন জমানায় আইনশৃঙ্খলার প্রশ্নে বিন্দুমাত্র আপস করা হবে না। একই সঙ্গে ‘হার্মাদ’ ও ‘গুন্ডা’ শব্দবন্ধ ব্যবহার করে তিনি একযোগে বাম এবং তৃণমূল—উভয় বিরোধী শিবিরকেই তীব্র মনস্তাত্ত্বিক চাপে ফেলার কৌশল নিলেন বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।