প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- ইতিমধ্যেই তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হয়েছেন হুমায়ুন কবীর। বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করে তিনি নানা মহলে সমালোচনার শিকার হয়েছেন। আর তার পরবর্তী সময়কালে আজ তিনি যে সময়সীমার কথা উল্লেখ করেছিলেন, সেই সময় সীমা অনুসারে আর কিছু সময় পরেই তিনি নতুন দল গঠন করতে চলেছেন। সকলেই তাকিয়ে রয়েছেন সেই দিকে। তৃণমূল এবং বিজেপি, দুই দলের বিরুদ্ধেই যে তার লড়াই হবে, তা ইতিমধ্যেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন ভরতপুরের বিধায়ক। তবে নীতিগতভাবে তৃণমূলের সমালোচনা করলেও, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি যে তার যথেষ্ট সফট কর্নার রয়েছে, তা স্পষ্ট করে দিলেন হুমায়ুন কবীর।
আজ আর কিছু সময় পরেই নতুন দলের ঘোষণা করতে চলেছেন হুমায়ুন কবীর। গোটা রাজ্যবাসীর নজর রয়েছে সেই দিকে। নতুন দলের ঘোষণা করার পাশাপাশি তিনি কটা আহনে প্রার্থী দেবেন, কি বলবেন, সেই মঞ্চ থেকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তিনি যে অনেক কথা বলতে পারেন, সেই রকম একটি আভাস পাওয়া যাচ্ছে। আর তার মধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমূল পরিবর্তন হয়ে গিয়েছেন বলেই জানিয়ে দিয়েছেন হুমায়ুন কবীর। কিন্তু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর প্রতি যে তার একটি দুর্বলতা রয়েছে, তা জানিয়ে ফের জল্পনা বাড়িয়ে দিলেন ভরতপুরের বিধায়ক।
এদিন নতুন দল গঠনের আগেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন হুমায়ুন কবীর। আর সেখানেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “অভিষেক ব্যানার্জীর ওপর আমার একটা সফট কর্নার রয়েছে। ওনার আগামী দিনের যোগ্য রাজনীতিবিদ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। যদি সে নিজের থেকে নিজের সিদ্ধান্ত নেয়।” আর এখানেই প্রশ্ন, তাহলে কি আগামী দিনে যদি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে তৃণমূলের রাশ আসে এবং তিনি সব সিদ্ধান্ত নেন, তখন কি আবার জামা পাল্টে নেবেন হুমায়ুন কবীর? সমস্ত দ্বন্দ্ব ভুলে তিনি কি আবার তৃণমূলের যোগদান করবেন? তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে তৈরি হচ্ছে জল্পনা। সব মিলিয়ে গোটা পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।