প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-নেত্রীরা নিজেদের বাংলা এবং বাংলা প্রেমী দল হিসেবে প্রতিনিয়ত দাবি করে বারবার করে। বিজেপিকে কটাক্ষ করে তারা বলে যে, বিজেপি নাকি বাংলার সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত নন। কিন্তু তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পর আজ নতুন দল গঠনের মঞ্চ থেকেই হুমায়ুন কবীর তৃণমূলের এই বাংলা প্রেম নিয়ে যে সমস্ত বক্তব্য, তার মুখোশ রীতিমত খুলে দিলেন। তৃণমূলের টিকিটে জেতা ভরতপুরের বিধায়ক বুঝিয়ে দিলেন যে, তৃণমূল বাঙালি সংস্কৃতির কথা বলেও বাঙ্গালীদের মান্যতা দেয় না। যার ফলে রাজ্যের শাসক দল যথেষ্ট ব্যাকফুটে পড়ে গেল বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
আজ হুমায়ুন কবীর নতুন দল গঠনের মঞ্চ থেকে কি বার্তা দেন, তার দিকে নজর ছিল গোটা রাজনৈতিক মহলের। এতদিন তৃণমূল এবং বিজেপি, দুই দলের বিরুদ্ধেই যে তার নতুন দল হবে, তা স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন তিনি। আর আজ বক্তব্য রাখতে গিয়ে সেই হুমায়ুনবাবু তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন। স্পষ্ট ভাষায় বুঝিয়ে দিলেন, তৃণমূল মুখে বাংলা প্রেমের কথা বললেও বাস্তবে তারা এর প্রকট বিরোধী। কারণ তৃণমূলের টিকিটের যারা জিতেছিলেন, তাদের অনেকেই বাঙালি নন।
এদিন মুর্শিদাবাদে নতুন দল গঠনের কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। আর সেখানেই তৃণমূলের টিকিটে যে সমস্ত অ-বাঙালিরা জিতেছিলেন, তাদের নাম তুলে ধরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং তার দল যেভাবে নিজেদের বাংলাপ্রেমী বলে দাবি করে তাদের পাল্টা প্রশ্নের মুখে ফেলে দেন তিনি। হুমায়ুনবাবু বলেন, “মুখেই বাঙালি। শত্রুঘ্ন সিনহা কোন বাঙালি? ইউসুফ পাঠান কোন বাঙালি? কীর্তি আজাদ কোন বাঙালি? লজ্জা করে না আপনার, মানুষকে ভাওতা দিতে, মিথ্যাচার করতে! আপনি হুমায়ুন কবীরকে বলছেন, গদ্দার। সাহস থাকলে ওপেন চ্যালেঞ্জ করলাম, আপনি আমার প্রশ্নের জবাব দিন।”