প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-রাজ্যের লক্ষ লক্ষ শিক্ষিত যুবক-যুবতীর দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে এক যুগান্তকারী ও মানবিক সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল বিজেপি সরকার। সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়ঃসীমা এক ধাক্কায় ৫ বছর বৃদ্ধি করার কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সরকারের এই সাহসী পদক্ষেপে এখন থেকে নির্দিষ্ট বয়সের থেকে আরও অতিরিক্ত ৫ বছর পর্যন্ত সরকারি চাকরির পরীক্ষায় বসার সুযোগ পাবেন চাকরিপ্রার্থীরা।
এই সিদ্ধান্তের প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহজির একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণের কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লক্ষ্য করেছিলেন যে ২০১৫ সালের পর রাজ্যে সরকারি নিয়োগের গতি থমকে গিয়েছিল। ফলে বহু যোগ্য ও শিক্ষিত তরুণ-তরুণী কোনো পরীক্ষায় বসার সুযোগ না পেয়েই নির্ধারিত বয়সসীমা অতিক্রম করে ফেলেছিলেন। সেই সমস্ত ‘ওভার-এজড’ বা বয়স পেরিয়ে যাওয়া প্রার্থীদের প্রতি সুবিচার করতেই সরকারের এই নতুন পরিকল্পনা।
২০১৫ পরবর্তী সময়ে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যে শূন্যতা তৈরি হয়েছিল, এই সিদ্ধান্তের ফলে সেই বঞ্চিত প্রার্থীরা পুনরায় লড়াইয়ের ময়দানে ফেরার সুযোগ পাবেন। বয়সের ছাড় পাওয়ায় অনেক অভিজ্ঞ প্রার্থী আবারও পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে পারবেন, যা রাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামোকে আরও সমৃদ্ধ করবে। বিরোধীদের আক্রমণের মুখে দাঁড়িয়ে এই সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে যে, বিজেপি সরকার কেবল প্রতিশ্রুতি দেয় না, বরং যুব সমাজের ভবিষ্যতের কথা ভেবে কঠোর ও কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
সরকারের এই ঘোষণায় রাজ্যজুড়ে খুশির হাওয়া। সাধারণ মানুষের মতে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহজির দূরদর্শী চিন্তা এবং মুখ্যমন্ত্রীর দ্রুত বাস্তবায়নের ফলে রাজ্যের নিয়োগ দুর্নীতির মেঘ কেটে গিয়ে স্বচ্ছতা ও ন্যায়ের নতুন সূর্য উদিত হলো।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সিদ্ধান্ত কেবল রাজনৈতিক মাস্টারস্ট্রোক নয়, বরং এক সামাজিক দায়বদ্ধতার প্রতিফলন। এখন দেখার, সরকারের এই ‘উপহার’ ব্যবহার করে রাজ্যের কত হাজার কর্মপ্রার্থী নিজেদের স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন।