প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-এক নতুন ভোরের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে তিলোত্তমা। আগামীকাল, ৯ মে কলকাতার ঐতিহাসিক ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বাংলার নবনির্বাচিত সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। এই মেগা ইভেন্টকে কেন্দ্র করে শহরজুড়ে এখন সাজ সাজ রব। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, যা এই অনুষ্ঠানকে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।
বিজেপি সূত্রের খবর, এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে কেবল প্রধানমন্ত্রী নন, উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, সর্বভারতীয় সভাপতি এবং বিজেপিশাসিত ২০ টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা। সারা দেশের হেভিওয়েট রাজনৈতিক নেতৃত্বের এই সমাবেশ ব্রিগেডকে এক ‘মিনি ভারত’-এ পরিণত করতে চলেছে। উত্তর প্রদেশ থেকে আসাম, রাজস্থান থেকে গুজরাট—সব রাজ্যের প্রতিনিধিদের এই উপস্থিতি বাংলার সঙ্গে কেন্দ্রের সুদৃঢ় সম্পর্কেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন ও এত বিপুল সংখ্যক ভিভিআইপি অতিথির উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে কলকাতায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এসপিজি (SPG) এবং রাজ্য পুলিশের সমন্বয়ে বিগ্রেড চত্বরকে দুর্ভেদ্য দুর্গে পরিণত করা হয়েছে। ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি এবং সিসিটিভি-র জালে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা ময়দান এলাকা।
বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান কেবল ক্ষমতা দখল নয়, বরং বাংলার হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকার। “সোনার বাংলা” গড়ার যে স্বপ্ন প্রধানমন্ত্রী বাংলার মানুষকে দেখিয়েছিলেন, কালকের এই ঐতিহাসিক মুহূর্ত সেই যাত্রারই আনুষ্ঠানিক সূচনা। সাধারণ মানুষের মধ্যেও এই অনুষ্ঠান নিয়ে ব্যাপক উন্মাদনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে; রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে কর্মীরা আজ রাত থেকেই কলকাতায় আসতে শুরু করেছেন।