প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইডির তলব নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল রাজ্য রাজনীতিতে। সোমবার এই ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সরকারের ক্যাবিনেট মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তাঁর স্পষ্ট দাবি, রাজ্যে ঘটে চলা সমস্ত বড় কেলেঙ্কারির পেছনে সরাসরি তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের হাত রয়েছে।

রাজ্য সরকারের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ সরাসরি অভিযোগ তোলেন, যেখানে যত দুর্নীতি হচ্ছে, তার প্রতিটিতেই তৃণমূলের হাইকমান্ডের যোগসূত্র রয়েছে। দুর্নীতিতে যুক্ত থাকার অভিযোগে তৃণমূলের একের পর এক বড় নেতা দিনের পর দিন জেলে কাটানো সত্ত্বেও শীর্ষ নেতৃত্ব কেন চুপ, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। জেলবন্দি অভিযুক্ত নেতাদের দল থেকে বহিষ্কার না করার সিদ্ধান্তকে তিনি হাইকমান্ডের দুর্নীতির প্রতি পরোক্ষ মদত হিসেবে দেখছেন। ইডির তলব প্রসঙ্গে তিনি জানান, তদন্তকারী সংস্থা নতুন তথ্য পাওয়া মাত্রই আইন তার নিজস্ব নিয়ম ও গতিতে এগিয়ে যাবে।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ সংস্থার আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত নতুন কিছু তথ্যের ভিত্তিতে আজ কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হাজিরার নির্দেশ দেয় ইডি। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জিতে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠিত হওয়ার পর থেকেই পূর্বতন শাসকদলের একাধিক দুর্নীতি মামলার তদন্তের গতি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই কেন্দ্রীয় এজেন্সির তলবকে বরাবরই ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ বলে দাবি করা হয়েছে। আজ বিজেপির ক্যাবিনেট মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের এই বিস্ফোরক মন্তব্য বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে চাপ আরও বাড়াল তৃণমূল শিবিরের।