প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
সম্প্রতি আইপ্যাকের অফিসে তল্লাশি করতে যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। আর সেই ব্যাপারে পাল্টা তৃণমূলের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এটা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ছাড়া আর কিছু নয়। এমনকি যখন তল্লাশি প্রক্রিয়া চলছিল, তখন মুখ্যমন্ত্রী সেখানে পৌঁছে গিয়ে যেভাবে নথি নিয়ে বেরিয়ে এসেছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়েছে। সেখানে আজ শুনানি চলছে। আর সেই শুনানিতেই আদালতের প্রশ্নের উত্তরে কেন তারা তল্লাশি চালিয়েছে, সেই ব্যাপারে নিজেদের বক্তব্য রেখে স্ট্যান্ড ক্লিয়ার করে দিলো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি।
ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে আইপ্যাক মামলার শুনানি শুরু হয়েছে। যার দিকে নজর রয়েছে গোটা রাজ্য তথা দেশের মানুষের। আর সেই শুনানিতেই বিভিন্ন বিষয় উঠে আসতে শুরু করেছে। তবে তৃণমূল যতই দাবি করার চেষ্টা করুক যে, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নিয়ে কাজ করছে, তাদের সেই বক্তব্যকে খন্ডন করে দিয়ে আদালতের পক্ষ থেকে যখন ইডিকে প্রশ্ন করা হলো যে, আপনারা কেন আইপ্যাকের অফিসে তল্লাশি চালাতে গিয়েছিলেন, তখন নিজেদের বক্তব্য রাখার বড় সুযোগ পেয়ে গেল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তারা কেন সেখানে তল্লাশি চালাতে গিয়েছিলেন, কি তার কারণ, সেই ব্যাপারে যুক্তি দিতে গিয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করে দিলো ইডি।
সূত্রের খবর, আজ সুপ্রিম কোর্টে আইপ্যাক মামলার শুনানিতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা কেন আইপ্যাক অফিস এবং প্রতীক জৈনের বাড়িতে গিয়েছিল, তা নিয়ে বিচারপতি তাদের প্রশ্ন করেন। আর সেই ব্যাপারেই নিজেদের যুক্তি দিতে গিয়ে ইডির আইনজীবী বলেন, “ওরা বলছে, আমরা নাকি সেখানে গিয়েছিলাম এসআইআরের তথ্য সংগ্রহ করতে। কিন্তু যে কেউ বুঝবে, এসআইআরের তথ্য তো ওয়েবসাইটেই পাওয়া যায়। সেটা আনতে সেখানে যাওয়ার কোনো অর্থ নেই। এমন কাজ কোনো বোকা লোক করবে না। অবৈধ কয়লা পাচার মামলার তদন্তে আইপ্যাকে তল্লাশি করতে গিয়েছিল। কয়লা কেনাবেচার টাকা নগদে লেনদেন করা হতো। ইডি যে সমন পাঠিয়েছিল, তার কোনো জবাব দেওয়া হয়নি। তদন্তে দেখা গিয়েছে, একটা হাওয়ালা চ্যানেল মারফত প্রায় ২০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে।”