প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
আজ বিতর্কিত বাবরি মসজিদের শিলান্যাস হয়ে গিয়েছে। সকলের একটাই আপত্তি, মসজিদ করা যেতেই পারে। কিন্তু বাবরের নামেই কেন মসজিদ হচ্ছে? তৃণমূল অবশ্য আগেভাগেই হুমায়ুনবাবুকে সাসপেন্ড করে একটা বিষয় প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেছে যে, তাদের সঙ্গে এই ব্যক্তির কোনো যোগ নেই। তারা একে কোনোমতেই সমর্থন করেন না। কিন্তু তলায় তলায় যে এর পেছনে তৃণমূল নেত্রীর সমর্থন নেই, তার গ্যারান্টি কোথায়? তা নিয়েও বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠছে। আর এসবের মধ্যেই হুমায়ুন কবীর যেভাবে বাবরি মসজিদ শিলান্যাস করছেন এবং তার পেছনে তিনি যে সমস্ত যুক্তি দিচ্ছেন, তা আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কারণেই হয়েছে বলেই দাবি করলেন প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। কিন্তু হঠাৎ অধীরবাবু এরকম কথা বললেন কেন? কি এমন করলেন এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, যার জন্য হুমায়ুন কবীর বাবরি মসজিদ শিলান্যাসের এত বড় সাহস পেয়ে গেলেন?
তৃণমূল থেকে হুমায়ুন কবীরকে সাসপেন্ড করার পরেই তিনি দাবি করেছেন যে, তিনি বাবরি মসজিদ শিলান্যাস করবেন। অবশেষে আজ সেই প্রক্রিয়া সমাপ্ত হয়েছে। যদিও বা তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে প্রশ্ন তুলে দিয়ে হুমায়ুনবাবু এটাও বলেছিলেন যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি মন্দির করতে পারেন, তাহলে তিনি মসজিদ করবেন, তাতে আপত্তি কোথায়? আর সেই বিষয়েই এবার হুমায়ুন কবীর যে বাবরি মসজিদ করার প্রশ্রয় পেলেন, এটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কারণেই বলে বুঝিয়ে দিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। আর সেখানেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং হুমায়ুন কবীরকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি। অধীরবাবু বলেন, “তৃণমূল পার্টির নেত্রী মমতা ব্যানার্জি, সে নিজেকে বড় হিন্দু প্রমাণ করার জন্য পুরী থেকে জগন্নাথ দেবকে নিয়ে আসছে পশ্চিমবঙ্গে। মহাকালকে নিয়ে আসছে পাহাড় থেকে সমতলে। দূর্গা অঙ্গন তৈরি হচ্ছে। পথ দেখিয়েছে মমতা ব্যানার্জি। আর তার দলের বিধায়ক সেই পথ অনুসরণ করে সে বলছে, যদি পুরী থেকে মন্দির নিয়ে আসা যায় দীঘার তটে, তাহলে বাবরি মসজিদ কেন নিয়ে আসা যাবে না? যা কিছু দেখছেন, তার সৃষ্টি করেছেন মমতা ব্যানার্জি। অর্থাৎ মমতা ব্যানার্জির রাজনৈতিক ভাবনার গর্ভে এই ভাবনাকে লালিত পালিত হতে আমরা দেখেছি।”