প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-জাতীয় রাজনীতির সমস্ত আলো এখন কেড়ে নিয়েছে দেশের রাজধানী দিল্লি। গতকাল রাতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বাসভবনে তপ্ত রুদ্ধদ্বার বৈঠকের রেশ কাটতে না কাটতেই আজ, শুক্রবার বিকেলে আসতে চলেছে এই সফরের সবচেয়ে বড় ধামাকা। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মুখোমুখি হচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ৭, লোককল্যাণ মার্গে (7, LKM) আয়োজিত এই হাই-প্রোফাইল মেগা বৈঠকের দিকেই এখন চোখ আটকে রয়েছে গোটা দেশের রাজনৈতিক মহলের! মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর মোদী-শুভেন্দুর এই প্রথম ওয়ান-টু-ওয়ান বৈঠককে কেন্দ্র করে দিল্লির রাজনৈতিক অলিন্দে জল্পনার পারদ এখন তুঙ্গে। বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সূত্রের খবর, এই বৈঠক স্রেফ কোনো সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, বরং বাংলার বুক থেকে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা দূর করার এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত হতে চলেছে।

বিশ্বস্ত সূত্রে খবর, আজকের এই মেগা বৈঠকে মূলত তিনটি প্রধান বিষয়ে যুগান্তকারী আলোচনা হতে পারে। রাজ্যের ঝুলে থাকা একাধিক উন্নয়নমূলক কাজের গতি বাড়াতে এবং আর্থিক বুস্টার ডোজ দিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিশেষ অর্থ বরাদ্দের তদ্বির করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। তথ্যপ্রযুক্তি, উৎপাদন ক্ষেত্র এবং ভারী শিল্পের ক্ষেত্রে বাংলায় কিভাবে বড়সড় কেন্দ্রীয় ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আনা যায়, তার খসড়া প্রধানমন্ত্রীর সামনে পেশ করা হতে পারে। এতদিন বঞ্চনার শিকার হওয়া কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি (যেমন পিএম আবাস যোজনা বা আয়ুষ্মান ভারত) চিতার গতিতে বাংলার প্রতিটি প্রান্তিক মানুষের দুয়ারে পৌঁছে দিতে কেন্দ্রের সরাসরি ও সর্বাত্মক সহযোগিতা নিশ্চিত করা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দিল্লি সফরের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এই ব্যাক-টু-ব্যাক বৈঠক প্রমাণ করে দিচ্ছে যে, দিল্লির দরবারে শুভেন্দু অধিকারীর গ্রহণযোগ্যতা এবং বাংলার গুরুত্ব কতটা আকাশচুম্বী। একেই বলে খাঁটি ‘ডবল ইঞ্জিন’ গতি!দিল্লি ও কলকাতার দূরত্ব মুছে দিয়ে বাংলায় যে এক অভূতপূর্ব ও সোনালী প্রশাসনিক যুগের সূচনা হতে চলেছে, আজ বিকেলের এই মোদী-শুভেন্দু মেগা বৈঠকই তার ওপরে চূড়ান্ত সিলমোহর দিতে চলেছে। গোটা বাংলার নজর এখন ৭, লোককল্যাণ মার্গের দিকে!