প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
বর্তমানে গোটা রাজ্য রাজনীতি সর গরম হয়ে রয়েছে হুমায়ুন কবীরের বাবরি মসজিদ শিলান্যাসের বিষয়কে কেন্দ্র করে। ইতিমধ্যেই তৃণমূলের পক্ষ থেকে তাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। দেখানো হচ্ছে রাজ্যের শাসক দলের পক্ষ থেকে যে, তারা এই ধরনের ঘটনাকে কোনোমতেই বরদাস্ত করে না। কিন্তু ভোটের আগে হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে সেটিং করেই তৃণমূলের এই ধরনের সিদ্ধান্ত নয় তো? হিন্দুদের কাছে ভালো থাকতে, আবার মুসলিমদের কাছেও ভালো থাকতে তৃণমূল হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে অভ্যন্তরীণ বোঝাপড়া করে এই ধরনের নাটক করছে না তো? তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য। আর এসবের মধ্যেই আগামীকাল সেই বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করছেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। তবে সেই বিষয় নিয়েই এবার বড় প্রশ্ন তুলে দিলেন প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর চৌধুরী।

গতকাল থেকেই খবরে শিরোনামে উঠে এসেছে হুমায়ুন কবীরের প্রসঙ্গ। তৃণমূল গতকাল তাকে সাসপেন্ড করার পর তিনি নিজের অবস্থান জানিয়ে দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন যে, বাবরি মসজিদের যে কর্মসূচি তার রয়েছে, তিনি সেটা করবেন। তবে সকলের একটাই প্রশ্ন যে, মসজিদ তিনি করতেই পারেন। কিন্তু তাই বলে বাবরের নামে সেই মসজিদ কেন করা হবে? ইতিমধ্যেই কলকাতা হাইকোর্টে এই ব্যাপারে মামলা হলেও, আদালত কোনোরূপ হস্তক্ষেপ করেনি। উল্টে আইনশৃঙ্খলা যাতে ভঙ্গ না হয়, তার জন্য রাজ্যকেই গোটা বিষয়টি দেখার নির্দেশ দিয়েছে। তবে এই মসজিদ তৈরি নিয়ে যে কান্ড কারখানা শুরু হয়েছে, তার পরিপ্রেক্ষিতেই আসল প্রশ্নটা তুলে দিলেন অধীর চৌধুরী।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। যেখানে তিনি বলেন, “কোনো মুসলমান কখনও এটাকে সমর্থন করতে পারে না। আর একটা কথা, কোনো জায়গা রেজিস্ট্রেশন ছাড়া কখনও মসজিদ নির্মাণ দিতে পারে? আমাকে বোঝান তো! কোনো মসজিদ ভারতবর্ষে জমি রেজিস্ট্রেশন ছাড়া কেউ তৈরি করতে পারে? মসজিদ একটা পবিত্র জায়গা। যেটা হবে, হোয়াইট ওয়েতে হবে। পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতবর্ষের কোনো মুসলমান এই কথা বলতে পারে না যে, বেআইনিভাবে মসজিদ তোলো। যে স্থানকে পবিত্র স্থান মনে করা হয়, সেখানে কখনও এটা অ্যালাও হতে পারে না।”