প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
গত বুধবার ফারাক্কায় বিডিও অফিসে ভাঙচুর চালানোর পর গতকাল উত্তর দিনাজপুরের চাকুলিয়ায় অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। যেখানে এসআইআরের শুনানির বিরোধিতায় বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ দেখানো হচ্ছে। অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। কিছু মানুষ আইন হাতে তুলে নিচ্ছেন। বিরোধীরা কার্যত নিশ্চিত যে, এর পেছনে কারা রয়েছে। কারণ যে রাজ্যের শাসক দল প্রকাশ্যে এসআইআরের বিরোধিতা করেন, তারাই যে কিছু মানুষকে লেলিয়ে দিয়ে পরিস্থিতিকে উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছেন, সেই সম্পর্কে সন্দেহ নেই বিরোধীদের মধ্যে। তবে রাজ্য যখন ক্রমাগত উত্তপ্ত হচ্ছে, যখন কিছু মানুষ এই এসআইআরের শুনানির বিরোধিতা করে ভাঙচুর চালাচ্ছেন, সরকারি সম্পত্তি ধ্বংস করছেন, তখন কোথায় যাচ্ছে গোটা পরিস্থিতি? এভাবেই যদি চলতে থাকে, তাহলে তো সুষ্ঠুভাবে এসআইআর প্রক্রিয়া সম্ভব হবে না? আর এই সমস্ত প্রশ্নের মাঝেই এবার গোটা বিষয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
এই রাজ্যের বুকে এসআইআরের বিরোধিতা করে প্রথম দিন থেকেই সোচ্চার হচ্ছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে নির্বাচন কমিশনকে বিজেপির দলদাস বলেও আক্রমণ করতে দেখা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। স্বাভাবিক ভাবেই এইরকম একটি আবহে রাজ্যের সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকা থেকে একের পর এক খবর আসছে। প্রথমে ফারাক্কার পর গতকাল চাকুলিয়ায় ঘটে গিয়েছে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি। কিছু মানুষ এসআইআরের শুনানির নাম করে হয়রানি করা হচ্ছে। এই অভিযোগ তুলে বিডিও অফিসে ঢুকে ভাঙচুর চালিয়েছেন। স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে যে, তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য এসআইআরের শুনানিকে ভন্ডুল করে দেওয়া। তবে এই সমস্ত করে যে লাভ হবে না এবং যারা এই সমস্ত কাণ্ডকলাপ করছেন, তারা যে নিজেদের বিপদ নিজেরাই ডেকে আনছেন, ঘুরিয়ে সেই কথাই বুঝিয়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই তিনি বলেন, “খুব ভালো করছেন। যা করছেন, সুন্দর করছেন। কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু এতে নির্বাচন কমিশন, আমার ধারণা, একটা সাংবিধানিক সংস্থা, বাবাসাহেব আম্বেদকর আর্টিকেল ৩২৪ এ পাওয়ার দিয়ে গিয়েছে। মাথা নিচু করবেন না। যথা সময়ে ভোটার তালিকা বেরোবে এবং যথাসময়ে নির্বাচন হবে। আর এই নির্বাচনে বাংলার মানুষ উত্তর দিয়ে দেবে।”