প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- ভারতীয় জনতা পার্টি কার্যত আত্মবিশ্বাসী, তারাই এবার পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় আনতে চলেছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি থেকে শুরু করে বিরোধী দলনেতা দাবি করছেন, এবার পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তন শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা। এমনকি প্রশাসনের যে সমস্ত কর্তা ব্যক্তিরা এখনও তৃণমূলের দলদাস হয়ে কাজ করছেন, তারা সময় থাকতে থাকতে শুধরে যান বলেও বার্তা দিচ্ছেন বিজেপি নেতা কর্মীরা। আর এই পরিস্থিতিতে এবার পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তন এবং পালাবদল নিয়ে আত্মবিশ্বাসী বিজেপির রাজ্য সভাপতি সেই প্রশাসন থেকে শুরু করে পুলিশদের দিলেন বড় বার্তা। তিনি বুঝিয়ে দিলেন, পশ্চিমবঙ্গে এবার বিজেপির সরকার আসছে। তাই এমন ভাবে কাজ করুন, যাতে নিজেদের নিয়ে বিতর্ক তৈরি না হয়।

২৬ এর নির্বাচন দরজায় কড়া নাড়ছে। যে কোনো মুহূর্তে ভোট ঘোষণা হয়ে যাবে। কিন্তু তার আগেই বিভিন্ন জায়গায় পরিস্থিতিকে উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছে এই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। আর তৃণমূল যেহেতু ক্ষমতায় রয়েছে, তাই তাদের এই অবৈধ কাজে প্রশাসন থেকে শুরু করে পুলিশের একটা অংশ প্রশ্রয় দিচ্ছে, এটা খুব ভালো মতই জানেন বিজেপি নেতৃত্বরা। তাই সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে গতকালের সাংবাদিক বৈঠক থেকে সেই প্রশাসনিক আধিকারিক থেকে শুরু করে পুলিশ কর্মী, এমনকি সিভিক পুলিশদেরও ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা দিলেন শমীক ভট্টাচার্য। যাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। আর সেখানেই তিনি বলেন, “ইদানিংকালে পশ্চিমবঙ্গে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, ধর্মীয় মেরুকরণের বিভিন্ন সীমা তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়িয়ে যাচ্ছে। যেভাবে একটি শ্রেণীর মানুষকে প্ররোচনা দেওয়া হচ্ছে, উস্কানি দেওয়া হচ্ছে, তাতে আমরা সকলের কাছেই আবেদন করব যে, কোনো ধরনের বিভাজনের রাজনীতিকে আশ্রয় দেওয়া বা প্রশ্রয় দেওয়ার চেষ্টা আপনারা করবেন না। তৃণমূল কংগ্রেস চলে যাচ্ছে, তৃণমূল কংগ্রেস চলে গেছে। ভালো লাগুক বা নাই লাগুক, যারা ডব্লুবিসিএস অফিসার আছেন, যারা এখানে আইএএস, আইপিএস অফিসার আছেন, যারা বিভিন্ন সরকারি পদে কর্মরত আছেন, এমনকি পুলিশের বিভিন্ন থানায় যারা কর্মরত আছেন, এমনকি সিভিক ভলেন্টিয়ার্সেরও যারা আছেন, তাদের কিন্তু কয়েক মাসের মধ্যেই বিজেপির সরকারের সঙ্গেই কাজ করতে হবে। আশা করবো, সচেতন ভাবেই তারা বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করবেন।”