প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-রাত পোহালেই রাজ্যে দ্বিতীয় দফার হাইভোল্টেজ নির্বাচন। আর এই দফার দিকেই তাকিয়ে রয়েছে গোটা দেশ, কারণ ভবানীপুরের মাটিতে এবার মেগা ফাইট। মুখোমুখি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম শুভেন্দু অধিকারী। প্রথম দফার পর দ্বিতীয় দফাতেও বিজেপির প্রধান মুখ তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ‘জায়ান্ট কিলার’ শুভেন্দুকে ঘিরেই আবর্তিত হচ্ছে বঙ্গ রাজনীতি। কিন্তু এই বিগ ফাইটের ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগেই হাইকোর্ট থেকে এল এক বিরাট বড় খবর। আদালতের নির্দেশে দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে বড়সড় স্বস্তি পেলেন শুভেন্দু অধিকারী।
মামলাটি বেশ পুরনো। ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচনের সময় শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেছিলেন যে তাঁর অফিসে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। কিন্তু সেই ঘটনার প্রেক্ষিতে পুলিশ উল্টে একটি স্বতঃপ্রণোদিত এফআইআর রুজু করে। পুলিশের এই ভূমিকাকে ‘সন্দেহজনক’ দাবি করে এবং হেনস্থার আশঙ্কা প্রকাশ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা।
এই মামলার শুনানিতে এদিন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য এক তাৎপর্যপূর্ণ নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, কোলাঘাট থানার করা ওই স্বতঃপ্রণোদিত এফআইআর-এর ভিত্তিতে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে কোনো কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিতে পারবে না পুলিশ। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, তদন্ত চললেও বিরোধী দলনেতাকে কোনোভাবেই হেনস্থা করা যাবে না।
ভোটের ঠিক আগের দিন হাইকোর্টের এই রক্ষাকবচের মেয়াদ বৃদ্ধি স্বাভাবিকভাবেই শুভেন্দু অধিকারীর জন্য বড় জয় হিসেবে দেখছে রাজনৈতিক মহল। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের আগে এই আইনি স্বস্তি বিজেপি শিবিরে বাড়তি অক্সিজেন জোগাল বলেই মনে করা হচ্ছে। আগামী জুন মাসে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।
এখন সবার নজর আগামী কালকের ব্যালট বক্সের লড়াইয়ের দিকে। আদালতের এই স্বস্তি কি জনমতেও প্রতিফলন ঘটাবে? উত্তরের অপেক্ষায় ভবানীপুর।