প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
তৃণমূল কংগ্রেস বরাবর দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূলকে এই ভাষাতেই কটাক্ষ করতে দেখা যায় বিজেপি নেতাদের। অতীতে তৃণমূল কংগ্রেস যখন সামগ্রিকভাবে দেশ সমস্যায় পড়েছে, তখন কি করে সেই সমস্যাকে বাড়ানো যায়, তার চেষ্টা করেছে বলেই দাবি করে গেরুয়া শিবির। আর এসবের মধ্যেই আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে যখন একটা যুদ্ধের পরিস্থিতি, তখন কিছুটা হলেও সমস্যা তৈরি হয়েছে। গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। এমনকি গ্যাসের একটা সংকট তৈরি হয়েছে। তবে ধীরে ধীরে এই পরিস্থিতি খুব দ্রুত মিটে যাবে। কিন্তু তার মধ্যেও এই বিষয় নিয়েও রাজনীতি করতে পথে নেমে পড়েছে এই রাজ্যের শাসক দল। আজ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে কলকাতায় একটি মিছিলে হেঁটেছেন। তবে যতই তৃণমূল এই মিছিল করুক, মমতা ব্যানার্জির গ্যাস লোকে আর খাবে না বলেই পাল্টা তৃনমূলকে ধুয়ে দিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি।
২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল যেভাবেই হোক, টিকে যাওয়ার একটা মরিয়া চেষ্টা করছে। কিন্তু এবারের নির্বাচন তৃণমূলের বিসর্জন বলেই দাবি করছে বিজেপি। ইতিমধ্যেই ভোটের ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি প্রার্থী তালিকাও ঘোষণা করে দিয়েছে। আগামীকাল প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করবে তৃণমূল কংগ্রেস। আর তার মধ্যেই শুধুমাত্র কেন্দ্রের বিরোধিতা করার জন্য গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে আজ রাস্তায় নেমে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর সেই বিষয় নিয়েই এবার পাল্টা জবাব দিলেন শমীক ভট্টাচার্য।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। আর সেখানেই তিনি বলেন, “হরমুজ প্রণালীর সমস্যাকে কেন্দ্র করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে তরমুজ খাওয়ানোর চেষ্টা করেন, তাহলে মানুষ কি খাবে? মমতা ব্যানার্জির গ্যাস আর লোকে খাবে না। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ রাজনৈতিক সচেতন, শিক্ষিত। গরিব হতে পারে, কিন্তু মূর্খ নয়। দেশের বিপদে মানুষ পাশে থাকতে চায়। সমালোচনা করে না। দুই দিনের মধ্যেই সব সমস্যা মিটে যাবে। তৃনমূল নিজেই সমস্যায় চলে গিয়েছে। সেই জন্যই মুখ্যমন্ত্রী রাস্তায়।”