প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং তার দল তৃণমূল কংগ্রেস এখন কি করবেন, তারা ভেবে উঠতে পারছেন না। কারণ তারা বুঝে গিয়েছেন যে, তারা আর এবার ক্ষমতায় আসতে পারবেন না। আর সেই কারণেই কখনও এসআইআর নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ধরনা দিচ্ছেন। আবার কখনও বা গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে সংসদের সামনে তার দল আন্দোলনে যুক্ত হচ্ছে। তবে তৃণমূলের এই সমস্ত আন্দোলন নিয়ে দেশবাসী তো অনেক দূরের কথা, রাজ্যবাসী যে মোটেই বিচলিত নয়, তৃণমূলকে বিদায় দেওয়ার জন্য যে সাধারণ মানুষ সব রকম ভাবে প্রস্তুত, আবারও তা বুঝিয়ে দিয়ে তৃণমূলের এই আন্দোলন নিয়ে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেস সব রকম ভাবে চেষ্টা করছে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করার। মানুষের প্রতি তাদের কতটা দরদ রয়েছে, তা দেখানোর জন্য এখন গ্যাসের যে সমস্যা তৈরি হয়েছে যুদ্ধের আবহে, তাতেও তারা কেন্দ্রীয় সরকারকে চাপে রাখতে চাইছে। এক্ষেত্রেও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরোধিতা করে আন্দোলনে নেমেছে এই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা কর্মীরা। তবে তৃণমূলের এই আন্দোলনে কি সত্যিই সাধারণ মানুষের কিছু যায় আসে? সত্যিই কি তৃণমূলকে আজকাল কেউ পাত্তা দেয়? তৃণমূলের যে সব রকম গ্রহণযোগ্যতা হারিয়ে গিয়েছে, তা আরও একবার নিজের ছোট্ট বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে বুঝিয়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

এদিন লোকভবন থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে তৃণমূলের যে আন্দোলন শুরু হয়েছে, তা নিয়ে তাকে প্রশ্ন করা হয়। আর সেই ব্যাপারে তৃণমূলকে পাল্টা খোঁচা দিয়ে শুভেন্দুবাবু বলেন, “তৃণমূল ইরানে চলে যাক। কেন্দ্রীয় সরকার টিকিট করে দেবে। ওখানে খামেনেইর বাড়ির সামনে গিয়ে ধর্না দিক।”