প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-গতকাল সোমবারই কলকাতার লোক ভবনে বসেছিল চাঁদের হাট। রাজ্যপাল আর. এন. রবির হাত ধরে একে একে শপথ নিলেন ৩৫ জন হেভিওয়েট মন্ত্রী। স্বপন দাশগুপ্ত, অর্জুন সিং, তাপস রায় থেকে শুরু করে শঙ্কর ঘোষ—শুভেন্দুর ‘টিম নবান্ন’-র দুঁদে সেনানীরা গতকালই অফিশিয়ালি ময়দানে নেমে পড়েছেন। কিন্তু, গতকালের সেই রাজকীয় শপথের রেশ কাটতে না কাটতেই আজ মঙ্গলবার বিকেলেই কেন হঠাৎ দিল্লির বিমান ধরছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী? রাজনৈতিক মহলে এখন এটাই লাখ টাকার প্রশ্ন।

ভেতরের খবর বলছে, গতকাল মন্ত্রীরা শপথ নিলেও, কোন মন্ত্রী কোন দপ্তরের দায়িত্ব পাবেন (Portfolio Allocation), তা কিন্তু এখনও চূড়ান্ত ঘোষণা করা হয়নি!রাজনৈতিক পণ্ডিতদের একাংশের মতে, গতকালের শপথের পর আজ দিল্লির এই হাই-ভোল্টেজ বৈঠকে মূলত দুটি বড় বিষয়ে সিলমোহর পড়তে চলেছে। স্বরাষ্ট্র, অর্থ, শিক্ষা বা পঞ্চায়েতের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হেভিওয়েট দপ্তরগুলো কাকে দেওয়া হবে, তার চূড়ান্ত ব্লু-প্রিন্ট আজই শীর্ষ নেতৃত্বের সাথে বৈঠকে বসে চূড়ান্ত করবেন মুখ্যমন্ত্রী। নিয়মানুযায়ী ২৯৪ আসনের বাংলায় সর্বোচ্চ ৪৪ জন মন্ত্রী হতে পারেন। গতকাল ৪১ জন শপথ নেওয়ায় এখনও ৩টি মন্ত্রিত্বের পদ ফাঁকা রয়েছে। সেই বাকি ৩ টি চেয়ারে পরবর্তী সময়ে কারা বসবেন, সেই সারপ্রাইজ নামও আজ দিল্লি থেকেই ফাইনাল হয়ে আসতে পারে।

আজ সকাল থেকেই মুখ্যমন্ত্রী কিন্তু এক সেকেন্ডের জন্যও বসেননি। সল্টলেকে ‘জনতার দরবার’ সেরে সোজা চলে যাবেন তারকেশ্বর মন্দিরে। সেখানে বাবা তারকনাথের মাথায় জল ঢেলে আশীর্বাদ নিয়ে হুগলির বিধায়কদের সাথে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করার কথা রয়েছে তার। আর সেখান থেকেই সোজা বিমানবন্দরে এসে বিকেল ৫ টার বিমানে পাড়ি দিচ্ছেন রাজধানী দিল্লির উদ্দেশ্যে।একদিকে গতকালকের মেগা শপথ, আর অন্যদিকে আজই দিল্লির এই ঝটিকা সফর—সব মিলিয়ে নতুন সরকার যে বুলেট গতিতে কাজ করতে চাইছে, তা বলাই বাহুল্য। আজ রাতের বৈঠকেই ঠিক হয়ে যাবে—কোন হেভিওয়েট মন্ত্রী পাচ্ছেন কোন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর! এই বিগ ব্রেকিং আপডেট সবার আগে পেতে চোখ রাখুন আমাদের পোর্টালে।