প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-রবিবার ছুটির দিনেও বাংলার রাজনীতিতে এক বিশাল পারদ চড়ল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পাঠানো একটি ‘গোপন চিঠি’ ঘিরে এখন তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হাতে এসেছে এই চিঠি, যা নিয়ে তৈরি হয়েছে চরম রহস্য। কী এমন লেখা রয়েছে সেই চিঠিতে? তবে কি নবান্নের অন্দরে বড়সড় কোনো ওলটপালট হতে চলেছে? এই নিয়েই এখন তীব্র চাঞ্চল্য রাজনৈতিক মহলে।
আজ রবিবার কলকাতার ন্যাশনাল লাইব্রেরীর ঐতিহাসিক বেলভেডিয়ার হাউসে দেশের প্রথম অত্যাধুনিক ভাষার জাদুঘর ‘মিউজিয়াম অফ ওয়ার্ড’ বা ‘শব্দালোক’-এর রাজকীয় উদ্বোধন হয়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের হাত ধরে এই জাদুঘরের উন্মোচন ঘটে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। আর সেখানেই মুখ্যমন্ত্রী এক বিস্ফোরক তথ্য সামনে আনেন। তিনি জানান, অমিত শাহের কাছ থেকে তিনি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চিঠি পেয়েছেন।
প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, চিঠিটি মূলত বাংলা ভাষার সম্মান রক্ষা, সংরক্ষণ এবং প্রশাসনিক ক্ষেত্রে এর ব্যবহার বৃদ্ধি সংক্রান্ত। কিন্তু রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের দাবি, চিঠির ভেতরে এমন কিছু ‘স্পেশাল গাইডলাইন’ বা ইঙ্গিত রয়েছে, যা রাজ্যের বর্তমান প্রশাসনিক কাঠামোয় বড় প্রভাব ফেলতে পারে। মুখ্যমন্ত্রী আজ এই চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করলেও, এর ভেতরের মূল রণকৌশল বা পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য সম্পূর্ণ চেপে গিয়েছেন। আর এই ‘গোপনতাই’ জল্পনা ১০০ গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, “যেহেতু বর্তমানে রাজ্যের বিধানসভা অধিবেশন চলছে, তাই আমি আজই সব খোলসা করছি না। আগামীকাল (সোমবার) বিধানসভার কক্ষেই এই চিঠি এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য সরকারের পরবর্তী বড় পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য রাখব।”
মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে হইচই পড়ে গিয়েছে। আগামীকাল সোমবার সপ্তাহের প্রথম কাজের দিনেই শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভায় কী বড় ঘোষণা করতে চলেছেন, এখন সেদিকেই চোখ গোটা বাংলার।