এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠনেই বোঝাপড়া বাড়ছে কংগ্রেস-তৃণমূলে – অশনি সংকেত বিজেপির কাছে?

পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠনেই বোঝাপড়া বাড়ছে কংগ্রেস-তৃণমূলে – অশনি সংকেত বিজেপির কাছে?

রাজ্যে কংগ্রেসের সংগঠন প্রায় নুইয়ে পড়েছে। আর তাই নিজেদের অস্তিস্ত বাঁচাতে এবার পঞ্চায়েতের বোর্ডগড়া নিয়ে  কাছাকাছি এল বিরোধী কংগ্রেস এবং শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। আর দুদলের এই কাছাকাছি আসাতে বিজেপি একেবারেই পেছনের সারিতে চলে গেল। ফলে ত্রিশঙ্কু বোর্ড দখল তো দূরঅস্ত, নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া পঞ্চায়েতেও এবার বোর্ড গড়া নিয়ে তীব্র সংশয়ে মালদহের জেলা বিজেপি নেতৃত্ব।

সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই এই জেলায় বিজেপি জয়ী সদস্যরা শাসক দলেও নিজেদের নাম লেখাতে শুরু করেছেন। এ প্রসঙ্গে মালদহ জেলার বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক অজয় গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “জেলা কংগ্রেস সভাপতি যেভাবে সরাসরি নির্দেশিকা দিয়ে সাম্প্রদায়িক শক্তিকে রুখে দিতে বলেছেন তা উদ্বেগজনক। কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেস সমঝোতার জেরে পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনে শাসকদলের আগ্রাসন আরও বেড়েছে।”

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রব্লেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

অন্যদিকে এই ব্যাপারে মালদহ জেলা কংগ্রেস সভাপতি মৌসম বেনজির নূর বলেন, “সাম্প্রদায়িক শক্তির সঙ্গে কোনও আপস না করার নীতি কংগ্রেসের চিরদিনের। মালদহের মতো জেলায় যেভাব বিভেদকামীতার বিষ ছড়ানো হচ্ছে তাকে আমরা প্রশ্রয় দিতে পারি না। সেই লক্ষেই পঞ্চায়েতে বোর্ড গড়ার রণনীতি তৈরি করা হয়েছে।”  অন্যদিকে মালদা জেলা তৃণমূলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দুলাল সরকার বলেন, “অন্য দল কি রাজনৈতিক পদক্ষেপ করবে সেটাও বিজেপি ঠিক করে দেবে না কি? শান্তিতে বোর্ড গড়ার পরও এই পেশিশক্তির অভিযোগ তোলা অর্থহীন।” সব মিলিয়ে ত্রিশঙ্কু পঞ্চায়েত দখল করতে তৃনমূল এবং কংগ্রেস জোট করায় প্রবল চাপে বিজেপি।

 

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!