এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > চিকিৎসা পরিষেবা কোথায়? প্রশ্ন তুলেই জলপাইগুড়িতে পদ্ম ফোটাতে চান বিজেপির ডাক্তার প্রার্থী

চিকিৎসা পরিষেবা কোথায়? প্রশ্ন তুলেই জলপাইগুড়িতে পদ্ম ফোটাতে চান বিজেপির ডাক্তার প্রার্থী


কাঁটা দিয়েই যে কাঁটা তুলতে হয় তা বেশ ভালোই জানে বিজেপি। আর তাইতো আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে জলপাইগুড়ি লোকসভা কেন্দ্রে নিজেদের জয় আনতে এখানে দলীয় প্রার্থী হিসেবে ডাক্তার জয়ন্ত রায়কে প্রার্থী করে রাজ্যের চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রশ্ন তুলে দিয়ে শাসক শিবিরকে চাপে ফেলতে তৎপর হয়ে উঠেছে সেই গেরুয়া শিবির।

ইতিমধ্যেই বিজেপির প্রার্থী ডাক্তার জয়ন্ত রায় তাঁর প্রচারে রাজ্যে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দুরাবস্থা তুলে ধরতে শুরু করেছেন। অন্যদিকে 2011 সালে রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর স্বাস্থ্য মন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় একাধিক উন্নতি হয়েছে বলে দাবি করছেন শাসক দলের প্রার্থী বিজয় চন্দ্র বর্মন। আর লোকসভা নির্বাচনের মরসুমে শাসক বনাম বিরোধীর স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিয়ে এহেন টানাপোড়েনকে ঘিরে এবার তীব্র রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে জলপাইগুড়িতে।

এদিন এই স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অবনতির কথা তুলে ধরে জলপাইগুড়ি লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ডাক্তার জয়ন্ত রায় বলেন, “জলপাইগুড়িতে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের পরিকাঠামো থাকলেও এখানে কোনো জটিল রোগের চিকিৎসা করা যায় না। আজ পর্যন্ত এখানে ট্রমা সেন্টার চালু হয়নি। দূর্ঘটনাজনিত কারণে কারো মাথায় কোনো আঘাত লাগলে সারা উত্তরবঙ্গে সরকারি উদ্যোগে ভালো পরিষেবাটুকুও আজকে পাওয়া যায় না। বিনা চিকিৎসায় অনেককেই মরতে হয়।”

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

অন্যদিকে একই অভিযোগ করেছেন কংগ্রেস। এদিন এই প্রসঙ্গে জেলা কংগ্রেসের সভাপতি নির্মল ঘোষ দস্তিদার বলেন, “দশতলা বাড়ি ছাড়া সরকারি চিকিৎসার ক্ষেত্রে মানুষের অভিজ্ঞতা মোটেই ভালো নয়। আমরা নির্বাচনী প্রচারে সাধারণ মানুষের কাছে এসব তুলে ধরছি।” তবে বিরোধীদের এই সমস্ত কথার পাল্টা জবাব দিয়েছে শাসক দলও।

এদিন এই প্রসঙ্গে জলপাইগুড়ি লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী বিজয় চন্দ্র বর্মণ বলেন, “জলপাইগুড়ি ও মালবাজারে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল, জেলা হাসপাতালে মাদার এন্ড চাইল্ড তৈরি এবং মেডিকেল কলেজ তৈরির প্রক্রিয়া চলছে। আজকে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে সাধারণ মানুষ নিখরচায় তাদের পরিষেবা পাচ্ছেন। আগে তো এইসব কিছু ভাবাই যেত না। চিকিৎসক ঘাটতি থাকায় কিছু সমস্যা চলছে, তবে চিকিৎসা ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে যে উন্নয়ন হয়েছে তা এককথায় অনবদ্য। আগামী দিনে ভোটবাক্সে বিরোধীদের সাধারন মানুষ এর উপযুক্ত জবাব দেবে।”

সব মিলিয়ে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে জলপাইগুড়িতে চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতি বনাম অবনতি নিয়েই মূল লড়াই শুরু হয়েছে রাজ্যের শাসক দল বনাম বিরোধী দলের মধ্যে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!