এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > বিহারে আসন নিয়ে বাড়ছে জটিলতা,প্রবল চাপে মোদী-অমিত

বিহারে আসন নিয়ে বাড়ছে জটিলতা,প্রবল চাপে মোদী-অমিত

লোকসভা ভোটের দামামা বাজতে আর বেশিদিন বাকি নেই। কেন্দ্র থেকে পদ্মকে উপড়ে ফেলতে জোট বাঁধছে বিরোধীরা। তাঁদের সম্মিলিত আক্রমণের সামনে মোদী সরকারকে বাঁচতে হলে একমাত্র ভরসা শরিক দল। কিন্তু সেই শরিকদলই লোকসভা ভোটের আগে চাপে ফেলছে মোদীজি-অমিত শাহদের। সম্প্রতি বিহারের এনডিএ জোট হিসাবে বিজেপি এবং জেডি(ইউ) এর মধ্যে আসন বন্টন নিয়ে ক্রমশ জটিলতা বাড়ছে। বিহারের ৪০ টি লোকসভা আসনের ভিতর ২৫ টিতে প্রার্থী দিতে আগ্রহী জেডি(ইউ)। কিন্তু বিজেপি পক্ষ নিয়ে এ নিয়ে এখনো অব্দি কোনে সিদ্ধান্তে কথা জানানোই হয়নি। তবে প্রকাশ্যে কিছু না বললেও বিজেপি যে মাত্র ১৫ টি আসনে লড়তে চায় না তা বুঝতে বাকি নেই জেডি(ইউ) নেতৃত্বদের। তাই বিজেপির সঙ্গে জোট ভাঙার একটা ইঙ্গিতও ইতিমধ্যে দিয়ে দিয়েছে জেডি(ইউ)। এ নিয়ে জেডি(ইউ) এর রাজ্য মুখপাত্র সঞ্জয় সিং মন্তব্যে জানান যে, জোটে থেকে লড়াই করতে যদি বিজেপির আপত্তি থাকে তাঁরা একারাই ৪০ টি আসনের পার্থী দিতে পারেন। এর সঙ্গে তিনি আরো জানান যে সব রাজনৈতিক দলেরই নিজস্ব সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার রয়েছে। তাই বিজেপি চাইলেই নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এতে জেডি(ইউ) এর কোনো আপত্তি নেই। এমনকি তিনি এটাও জানান যে ভোট নিয়ে তাঁদের কোনো চিন্তাই নেই। নীতিশ কুমারের নেতৃত্বে জেডি(ইউ) বেশ জনপ্রিয়ই আছে গোটা বিহারে। এরকম ধরণেই মন্তব্য করেছিলেন কিছুদিন আগে জেডি(ইউ) অন্য এক নেতা অজয় অলোক।

 

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

প্রসঙ্গত, বিজেপির প্রধান শরিক দলের মধ্যে একটি হল বিহারের জেডি(ইউ)। সেই জেডি(ইউ) ই যদি বিজেপির হাত ছেড়ে দেয় তাহলে লোকসভা ভোটের আগে বেশ চাপে পড়তে হতে পারে জাতীয় পদ্মশিবিরকে। জানা গেছে, ২০১৪ সালের লোকসভা ভোটের সময় জেডি(ইউ) এনডিএ থেকে আলাদা হয়েগেছিলো। এবং ২০১৫ তে বিরোধী পক্ষ লালু প্রসাদের আরজেডির সঙ্গে সমঝোতায় এসে বিহারের ক্ষমতা লাভ করেছিলো। কিন্তু দুবছরও সে জোট টেকেনি। তাই ফের এনডিএ-এর দ্বারস্থ হতে হয়েছিলো নীতিশ কুমারকে।

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

তবে ২০১৪ সালে মোদী ম্যাজিক দেখেছিলো গোটা দেশ। গেরুয়া ঝান্ডার জয়জয়কারে মেতেছিলো দেশবাসী। কিন্তু ২০১৮ এ এসে সেই মোদী শ্লোগান নিয়ে মানুষের উৎসাহ অনেক দমে গেছে। পরিবর্তন হয়েছে অনেক কিছুই। ভাঁটা পড়েছে বিজেপির ভোট ব্যাঙ্কে। এমতাবস্থায় মোদীসরকার জানে শরিক দল ছাড়া লোকসভা ভোট বৈতরণী পার হওয়া একরকম অসম্ভবই। এ প্রসঙ্গে জেডি(ইউ) মুখপাত্র সঞ্জয় সিং জানিয়েছেন যে ২০১৪ এবং ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ফারাক বিস্তর। পাঁচ বছরে বদল ঘটেছে দেশের অনেক কিছুই। জেডি(ইউ) এর সঙ্গ ছাড়া বিহারে বিজেপি ধরাশায়ী হবে একথা নিশ্চিত ভাবে জানালেন এদিন সঞ্জয়জি।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!