পে-কমিশন প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিলেন অভিরূপ সরকার কলকাতা বিশেষ খবর রাজ্য June 11, 2019 রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ ও পে-কমিশন নিয়ে ক্ষোভ বর্তমানে আকাশ ছুঁয়েছে। আর তাই, রাজ্য সরকারি কর্মচারী ও শিক্ষকরা সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে কার্যত ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে। রাজ্যের ৪২ টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৪১ টি আসনেই পোস্টাল ব্যালটে ভরাডুবি হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের। আর তারপরেই, পে-কমিশনের মেয়াদ আরও ৭ মাস বৃদ্ধি করে চার বছর করে দেওয়া হয়। যে নজির গোটা ভারতবর্ষ খুঁজে আর কোথাও পাওয়া যায় না! এর ফলে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা রীতিমত ফুঁসছেন। লোকসভা নির্বাচনের থেকেও বড়সড় ‘শিক্ষা’ আগামী বিধানসভা নির্বাচনে নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাঁরা। কিন্তু গতকাল নবান্নে দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সময়মত পে-কমিশন দিতে না পারার সব দায় নিজের ঘাড় থেকে ঝেড়ে ফেলে মুখ্যমন্ত্রী তা চাপিয়ে দেন পে-কমিশনের চেয়ারম্যান অভিরূপ সরকারের উপর। মুখ্যমন্ত্রী গতকাল বলেন, বেতন কমিশন দেওয়া হচ্ছে না বলে ভোটের সময় অনেক রাজনীতি হয়েছে! বেতন কমিশন রিপোর্ট দেবে তবে তো তার কার্যকর করার প্রশ্ন! আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে। আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে। আপনার মতামত জানান - মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, বেতন কমিশন তো রিপোর্টই পেশ করল না। তারা ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় চেয়েছে, তার পর আমরা ভাবব কতটা সামর্থে কুলায়। যার যা প্রাপ্য সরকার সামর্থ অনুসারে তাকে তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করে। বেতন কমিশন সুপারিশ পেশ করলে সাধ্যমতো করব। আমি নিশ্চই বেতন কমিশনের সুপারিশ মানতে গিয়ে খাদ্যসাথী প্রকল্প বন্ধ করব না। গরিব লোককে ভাতে মারব না। গরিব লোককে আরও কাজ দেওয়াটাই আমার কাজ। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর এহেন মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে রীতিমত বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন পে-কমিশনের চেয়ারম্যান অভিরূপ সরকার। কলকাতার অন্যতম নামী পোর্টালের দাবী। এই প্রসঙ্গে তাদের তরফ থেকে অভিরূপবাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি স্পষ্ট জানান, কমিশন সময় চায়নি, এটা ভুল কথা। সরকারই কমিশনের মেয়াদ বাড়িয়েছে! আর এই তথ্য সামনে আসতেই কার্যত ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন সরকারি কর্মীরা। তাঁদের বক্তব্য, পে-কমিশন প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের সত্যতা নিয়েই তো বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিলেন অভিরূপ সরকার! এবার তো মুখ্যমন্ত্রীর ‘প্রমান’ করা উচিৎ – কে সত্য বলছেন আর কে নয়! আপনার মতামত জানান -