এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > নকল ইলিশে ছেয়েছে বাজার – ইলিশের নামে বিকোচ্ছে অন্য কিছু! জানুন বিস্তারিত

নকল ইলিশে ছেয়েছে বাজার – ইলিশের নামে বিকোচ্ছে অন্য কিছু! জানুন বিস্তারিত

বাঙালির রসনাতৃপ্তির মূলধন সাধের ইলিশ মাছ – পাতুরি হোক কিংবা ভাপা, এককথায় ইলিশের জুড়ি মেলা ভার। কিন্তু সাধের সেই ইলিশেও যদি “নকল” শব্দটি জুড়ে যায়, তাহলে বাঙালি খাবে কি? জানা গেছে, বর্ষা পড়তে না পড়তেই প্রতিবছরের মত এবছরেও রাজ্যের বিভিন্ন জেলার হাট-বাজারে দেদারে বিকোচ্ছে এই ইলিশ মাছ।

অভিযোগ, কিছু অসাধু ব্যাবসায়ী এই ইলিশ বিক্রিতে মুনাফা লুটতে ভিন রাজ্য থেকে ইলিশের নাম করে ‘শ্যাড ফিশ’ এনে তা গোডাউনে মজুত রেখে পরদিন তা ইলিশ বলে বাজারে বিক্রিও করছে। সূত্রের খবর, ৭০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের এই নকল ইলিশের দাম উঠছে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা। আর এই নকল ইলিশ নিয়েই ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে দক্ষিন দিনাজপুর জেলার মৎস্যপ্রেমীদের মধ্যে।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

জানা গেছে, এই শ্যাড মাছে প্রচুর পরিমানে ভারী ধাতু থাকায় তা শরীরের ক্ষতি করে। আর বরফ দিয়ে দীর্ঘ সংরক্ষনের পর বাছারে ছাড়া সেই মাছগুলিও শরীরের পক্ষে প্রচন্ড অপকারী। আর এই শ্যাড ফিশগুলোই বাংলাদেশের পদ্মার ইলিশ বলে জেলার বাজারগুলিতে চড়া দামে বিক্রি করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরেই এই চক্র চললেও কেন হুঁশ নেই প্রশাসনের?

এদিন সেই প্রসঙ্গে দক্ষিন দিনাজপুর জেলার খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিক বিশ্বজিৎ মান্না বলেন, “অভিযোগ এসেছে। দ্রুত এনিয়ে অভিযানেও নামা হবে। কোথা থেকে কিভাবে এই শ্যাড ফিস আসছে তা খতিয়ে দেখেই উপযুক্ত পদক্ষেপও গ্রহন করা হবে”। সব মিলিয়ে ইলিশের নামে শ্যাড ফিশের রমরমা বাজার রুখতে এখন প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপের দিকেই তাকিয়ে দক্ষিন দিনাজপুর জেলার মৎস্যপ্রেমীরা।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!